সোমবার,২৪শে ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ইং,১১ই ফাল্গুন, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ,
  • প্রচ্ছদ » মুক্তমত » টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের ভূমিকা
পরবর্তী



টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের ভূমিকা


প্রবাস সংবাদ :
২৭.১১.২০১৯

মো. জাহাঙ্গীর আলম :

আধুনিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির কল্যাণে মানুষ হাতে পেয়েছে সংবাদপত্র, রেডিও, টেলিভিশন, চলচ্চিত্র, অনলাইন গণমাধ্যমসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম। এসকল আধুনিক গণমাধ্যমে জনগণ রাষ্ট্রের নানাবিধ তথ্য-উপাত্ত বিষয়ে জানার সুযোগ পায় এবং দেশের উন্নয়ন কার্যক্রম সম্পর্কে অবহিত হয়ে অধিকার ও দায়-দায়িত্বের বিষয়ে অংশদার হয়। চতুর্থ শিল্প বিল্পবের এ যুগে কোনোভাবেই গণমাধ্যমের ভূমিকাকে অস্বীকার করা যাবে না। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে গণমাধ্যম শক্তিশালী এবং গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে, যা টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে কার্যকরী সহায়ক হিসেবে কাজ করছে। জাতীয় গণমাধ্যমকে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি’র মাধ্যমে সমন্বয় করে দেশের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের যাত্রাকে এগিয়ে নিতে পারলে এ ক্ষেত্রে সফলতা আরো অধিক প্রতীয়মান হবে। সমাজের মৌল-কাঠামো ও উপরিকাঠামোসহ মানবীয় আচরণের ক্ষেত্রে পরিবর্তন আনতে গণমাধ্যম সেই প্রাচীনকাল থেকে শুরু করে এখন পর্যন্ত কাজ করছে।

সংবাদপত্র বিভিন্নভাবে জনমত গঠনে কাজ করে আসছে। শিক্ষাবিস্তার, তথ্য-উপাত্ত প্রদানসহ জনমত গঠনে রেডিও, টেলিভিশন ও চলচ্চিত্র অসামান্য অবদান রাখছে। সম্প্রতি অনলাইন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমও গণসচেতনাসহ শিক্ষাবিস্তারে ব্যাপক ভূমিকা রাখছে। এ সকল গণমাধ্যমের কল্যাণে মানুষ নানাভাবে সচেতন হচ্ছে এবং গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র ব্যবস্থা পরিচালনায় জনগণের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ অংশগ্রহণ বৃদ্ধি পাচ্ছে। এসডিজি বাস্তবায়নে অবাধ তথ্যপ্রবাহ নিশ্চিত করা একটি অন্যতম শর্ত, যা রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম নিশ্চিত করতে দায়িত্ব পালন করছে নিরলসভাবে এবং আন্তরিকতার সাথে।

শিক্ষা, স্বাস্থ্য, দারিদ্র্যবিমোচন, সামাজিক সুরক্ষা, কর্মসংস্থান, প্রশিক্ষণ, নারীর ক্ষমতায়ন, গণসচেতনতা ও বিনোদনের পরিসর বৃদ্ধি এবং সাংস্কৃতিক বিকাশ ও মূলোবোধ গড়ে তোলাসহ জনসাধারণের আচরণগত পরিবর্তনের লক্ষ্যে সরকারি গণমাধ্যমের নানাবিধ অনুষ্ঠান গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের পক্ষে খুব সহজে এবং দ্রুততার সাথে গ্রামীণ এবং প্রান্তিক জনসাধারণের কাজে জরুরি খবর, উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের সংবাদ এবং শিক্ষা-বিনোদন পৌঁছে দেওয়া সম্ভব। দেশের কল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের পক্ষে জনমত তৈরি, শিক্ষার প্রসার ঘটানো, শিল্প, সংস্কৃতি, ইতিহাস ঐতিহ্য সম্পর্কিত তথ্য জনসাধারণের কাছে পৌঁছে দেওয়া রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের জন্য অতি সহজসাধ্য।

সরকার রাষ্ট্র পরিচালনা কার্যক্রমকে অধিক স্বচ্ছ, জবাবদিহি ও অংশগ্রহণমূলক করতেও কাজ করছে। একটি কার্যকরী রাষ্ট্র ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায় সরকারি গণমাধ্যমকে নিরপেক্ষ এবং অন্যান্য গণমাধ্যমকে স্বাধীনভাবে পরিচালনায় সহযোগিতা প্রদান অত্যন্ত জরুরি। সরকার নিরপেক্ষতার সাথে সরকারি গণমাধ্যম পরিচালনাসহ অন্যান্য দেশি-বিদেশি গণমাধ্যমের স্বাধীন মত প্রকাশ নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর এবং এ অনুযায়ী সরকার ইতিমধ্যে জাতীয় সম্প্রচার নীতিমালা-২০১৪; জাতীয় অনলাইন গণমাধ্যম নীতিমালা-২০১৭; জাতীয় চলচ্চিত্র নীতিমালা-২০১৭; কমিউনিটি রেডিও স্থাপন, সম্প্রচার ও পরিচালনা নীতিমালা-২০১৭; বেসরকারি মালিকানায় বেতারকেন্দ্র স্থাপন ও পরিচালনা নীতিমালা-২০১০; কেবল টেলিভিশন নেটওয়ার্ক পরিচালনা ও লাইসেন্সিং বিধিমালা-২০১০; ছাপাখানা ও প্রকাশনা আইন-২০১৩; বিজ্ঞাপন ও ক্রোড়পত্র নীতিমালা-২০১০; স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নির্মাণে সরকারি অনুদান-২০১২, যৌথ প্রযোজনায় চলচ্চিত্র নির্মাণ নীতিমালা-২০১৭; সাংবাদিক সহায়তা ভাতা/অনুদান নীতিমালা-২০১২, তথ্য অধিকার আইন-২০০৯ এবং বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা আইন-২০১৮ সহ আরো অন্যান্য কার্যকরী আইন, বিধিমালা ও নীতিমালা প্রণয়ন করেছে। এসকল আইন, বিধিমালা ও নীতিমালা প্রণয়নের মাধ্যমে একদিকে যেমন সরকারি গণমাধ্যমের কার্যক্রম আরো স্বচ্ছ, জবাবদিহি এবং অংশগ্রহণমূলক হয়েছে তেমনি অন্যান্য দেশি-বিদেশি গণমাধ্যমের স্বাধীন মত প্রকাশে সহযোগিতা প্রদানের ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখছে।

প্রিন্ট, ইলেক্ট্রনিক ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারিত শিক্ষা ও বিনোদনমূলক অনুষ্ঠানাদি এবং সংবাদ পাঠক, শ্রোতা ও দর্শকদের গভীরভাবে প্রভাবিত করে। জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ, নিরক্ষরতা দূরীকরণ, দারিদ্র্যবিমোচন, সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ দমন, দুর্নীতি দমন, কর্মসংস্থান তৈরি, নারী উন্নয়ন, কৃষিক্ষেত্রে উন্নয়ন, যুব উন্নয়ন, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা, গণতন্ত্র-গণতান্ত্রিক বিধিব্যবস্থা ও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা, জনমত তৈরি, সচেতনতা বৃদ্ধি, সাহিত্য সাংস্কৃতিক উন্নয়ন প্রভৃতি ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ অবদান রেখে আর্থসামাজিক উন্নয়ন ও দারিদ্র্যবিমোচনে সবচেয়ে বেশি কার্যকর ভূমিকা রাখছে রাষ্টীয় গণমাধ্যম ও প্রচার-প্রচারণা সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো। বাংলাদেশ টেলিভিশন, তথ্য অধিদফতর, বাংলাদেশ বেতার, গণযোগাযোগ অধিদপ্তর, চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তরসহ অন্যান্য সরকারি প্রতিষ্ঠান এই প্রচার-প্রচারণা কাজ পরিচালনা করছে। টেলিভিশন ও রেডিওতে সম্প্রচারিত শিক্ষা ও বিনোদনমূলক অনুষ্ঠানসহ ও সংবাদ তথ্য অধিদফতরের তথ্যবিবরণী এবং ফটো ও ফিচার, গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের চলচ্চিত্র প্রদর্শনসহ নানাবিধ কর্মসূচি জনসচেতনতা সৃষ্টিতে নিয়মিত কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।

-২-

বাংলাদেশ একটি কৃষি প্রধান দেশ। প্রায় ৭০ শতাংশ মানুষ এখনও গ্রামে বসবাস করছে। ক্ষুধা দারিদ্র্য মুক্ত টেকসই উন্নয়নে লক্ষ্যে কৃষি ব্যবস্থাপনাকে আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তি আওয়াতায় আনার কোনো বিকল্প নেই। কৃষকের কাছে তথ্য-উপাত্ত পৌঁছাতে সরকারি প্রচার মাধ্যম বিরাট ভূমিকা পালন করে আসছে। অনুরুপভাবে শিক্ষা ও স্বাস্থ্যের মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতের উন্নয়নেও রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম ব্যাপক ভূমিকা রাখছে। কৃষি, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যের মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতের ব্যাপক উন্নয়ন ছাড়া বাংলাদেশের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা প্রায় অসম্ভব। এছাড়া  বাংলাদেশ একটি দুর্যোগপ্রবণ দেশ হওয়ায় প্রতি বছর নানাবিধ ঝড়, ঘুর্ণিঝড়, টর্নেডো, জলোচ্ছ্বাস, বন্যা, নদীভাঙ্গন, ভূমিধ্বস ও খরাসহ নানা দুর্যোগের কারণে মৃত্যু, গবাদি পশু ও সম্পদ/ফসলের ব্যাপক ক্ষতিসাধিত হচ্ছে। এসকল প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে জণসাধারণকে সচেতন করে মৃত্যুহার ও সম্পদের ক্ষতিসাধন কমিয়ে আনার ক্ষেত্রে রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম ব্যাপক ভূমিকা রাখছে। সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি দেশি-বিদেশি গণমাধ্যমও এ প্রচার কাজে সহায়তা করছে।

সরকারি গণমাধ্যম গ্রামীণ ও প্রান্তিক জনগণের জনজীবনকে ব্যাপকভাবে প্রভাবিত করে থাকে, বিশেষ করে অনাগ্রসর জনগোষ্ঠীদের ক্ষমতায়নের জন্য সরকারের প্রচার কার্যক্রম অত্যন্ত কার্যকরী ও টেকসই। তথ্যপ্রযুক্তি’র এ যুগে আধুনিক সুযোগ-সুবিধার তথ্যসমূহ প্রাপ্তিতে গ্রামীণ ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীরা এখনো অনেকটাই বঞ্চিত। আধুনিক গণমাধ্যমের কল্যাণে এসকল জনগোষ্ঠীরা শিক্ষা-বিনোদনসহ তথ্যপ্রাপ্তির মাধ্যমে তাদের জীবনমানের উন্নয়ন জনজীবনে উন্নতি সাধন করছে। টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে গ্রামীণ ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর দেশের সার্বিক উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ করা ব্যতীত সম্পূর্ণ এবং সফল অর্জন সম্ভব নয়। রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম উন্নয়ন কর্মকাণ্ড সম্পর্কে জনগণকে অবহিত করার সাথে সাথে জনগণকে উন্নয়ন কাজে সম্পৃক্ত করতে এবং বিদেশে দেশের ভাবমূর্তিকে উজ্জ্বল করতে কাজ করে চলেছে। টেকসই উন্নয়নের অর্থ শুধু যে দেশে উন্নয়ন বৃদ্ধি তা নয়, পাশাপাশি এ সকল উন্নয়ন তথ্য দেশ এবং দেশের বাইরে প্রবাসী বাংলাদেশিসহ বিশ্ববাসীকেও তা অবহিত করা গুরুত্বপূর্ণ। আন্তর্জাতিক সংস্থাসহ দেশি বিদেশি বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থাসমূহকে অবহিত করা এবং এসব কাজে তাদের সহায়তা প্রদানে উদ্বুদ্ধ করার অন্যতম কাজটিও সরকারি গণমাধ্যম করে থাকে।

বাংলাদেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নে জনগণের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বাসস্থান, খাদ্য, বস্ত্রের মৗলিক চাহিদাসমূহের উন্নয়নসহ এ ক্ষেত্রে গণসচেতনতা সৃষ্টি বিশেষভাবে জরুরি। সরকারি-বেসরকারি গণমাধ্যম অত্যন্ত কার্যকরি মাধ্যম হিসেবে জনগণের সেই চাহিদা পূরণে কাজ করছে। এছাড়া সামাজিক নিরাপত্তা, পল্লী উন্নয়ন, ক্ষুদ্র ঋণ কার্যক্রম,  জ্বালানি, বিদ্যুৎ, সড়ক, রেলওয়ে, নৌ ও বিমান পরিবহন, টেলিযোগাযোগ, তথ্যপ্রযুক্তির প্রসার, পরিবেশ উন্নয়ন, কর্মসংস্থান, বৈদেশিক বাণিজ্য, জনপ্রশাসন, নিরাপত্তা ও আইন-শৃঙ্খলা, প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলা, শোষণমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠা, দুর্নীতিরোধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন, গণতন্ত্র-গণতান্ত্রিক বিধিব্যবস্থা ও সুশাসন প্রতিষ্ঠা প্রভৃতি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সরকারি গণমাধ্যম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। পাশাপাশি, মহান মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ, লক্ষ্য-চেতনা সমাজ ও জাতীয় জীবনে সুপ্রতিষ্ঠিত করার ক্ষেত্রেও গণমাধ্যম অত্যন্ত কার্যকরী ভূমিকা পালন করে আসছে। সকলকে নিয়মানুবর্তিতা, সততা ও নিষ্ঠার সাথে স্বীয় দায়িত্ব পালন করতে হবে। এ ক্ষেত্রে সকলকে সম্পৃক্ত করতে এবং কাজ করতে উদ্বুদ্ধ করতে এবং দেশ গঠনে সফলতা অর্জনে সরকারি ও বেসরকারি গণমাধ্যমের যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ ও কার্যকরী ভূমিকা ও প্রভাব রয়েছে।

ইন্টারনেট আজ জনজীবনে গুরুত্বপূর্ণ অংশ। মানুষের জীবনযাপন, তথ্য আদানপ্রদান, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সরকার পরিচালনা, ব্যবসা-বাণিজ্য, যোগাযোগ ও পারস্পারিক সম্পর্কে সবচেয়ে বড়ো মাধ্যম ইন্টারনেট। এমনকি নিউজ পোর্টাল, নিউজ ব্লক, আইপি টিভি, ইন্টারনেট রেডিও ইত্যাদি  ইন্টারনেটভিত্তিক অনলাইন গণমাধ্যমগুলোও এক্ষেত্রে কার্যকর ভূমিকা পালন করছে। টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনকে ত্বরান্বিত করতে সরকারি গণমাধ্যমের কার্যক্রমকে অনলাইন ভিত্তিক গণমাধ্যমে উন্নিত করতে উদ্যোগ গ্রহণ করেছে সরকার। এছাড়া সরকারের সেবা ও কার্যক্রমের সার্বিক সুযোগ-সুবিধা প্রদানের ক্ষেত্রকে অনলাইনভিত্তিক নানা কার্যক্রম হাতে নেওয়া হয়েছে। সরকারি ও বেসরকারি গণমাধ্যমকে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির আওতায় এনে দেশকে ২০৪১ সালে একটি উন্নত দেশের কাতারে দাঁড় করাতে সবাইকে একত্রে এগিয়ে যেতে হবে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে। সরকার এবং সরকারি গণমাধ্যমের একার পক্ষেই এ বিশাল কাজ সম্পাদন করা সম্ভব নয়। সরকারি ও বেসরকারি এবং দেশি-বিদেশি গণমাধ্যমের সমন্বিত প্রচেষ্টাই পারে কেবল টেকসই লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের পথকে মসৃণ করতে।

 

২৫.১১.২০১৯                                                                                                                                                  পিআইডি ফিচার

 

 



এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি