শুক্রবার,৩রা এপ্রিল, ২০২০ ইং,২০শে চৈত্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ,
  • প্রচ্ছদ » Uncategorized » কীভাবে দেশে ফিরবেন মালয়েশিয়ার অবৈধ প্রবাসীরা : সচেতনতায় শ্রমিকলীগ



কীভাবে দেশে ফিরবেন মালয়েশিয়ার অবৈধ প্রবাসীরা : সচেতনতায় শ্রমিকলীগ


প্রবাস সংবাদ :
০৪.০৮.২০১৯

 

আহমাদুল কবির, মালয়েশিয়া :

সাধারণ কর্মীদের সচেতনতার লক্ষ্যে মালয়েশিয়াস্থ জাতীয় শ্রমিকলীগ এক মহতী উদ্দ্যোগ গ্রহণ করেছে। মালয়েশিয়া সরকার ঘোষিত সাধারণ ক্ষমার আওতায় অবৈধ প্রবাসীরা দালাল ছাড়া দূতাবাসের সহযোগিতায় সহজে কিভাবে দেশে ফিরবেন, তা সচেতনতা মূলক ক্যাম্পেইন শুরু করেছে। গত ১৮ জুলাই ঘোষণার পর থেকে শ্রমিক লীগ ক্যাম্পেইনের পাশাপাশি সচেতনা মূলক লিফলেট বিতরন করে আসছে। পরামর্শের জন্য  শ্রমিক লীগের নেতৃবৃন্দ সভাপতি, সাধারন সম্পাদকের মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করতে বলা হচ্ছে। রাজধানি কুয়ালালামপুর, শহরের বাহিরে পেনাং,কাজাং,সুঙ্গাইবুলু,কোয়ালা সেলাঙ্গর,চেরাস এ ক্যাম্পেইন করেছে।

মালয়েশিয়া শ্রমিক লীগের সভাপতি নাজমুল ইসলাম বাবুল, সাধারন সম্পাদক শাহ্ আলম হাওলাদারের নেতৃত্বে ক্যাম্পেইনে অংশ নেন, সহ সভাপতি মোঃ সেলিম, সহ সভাপতি আনোয়ার হোসেন টবলু, যুগ্ন সাধারন সম্পাদক রিপন চন্দ্র, যুগ্ন সসাধারন সম্পাদক নয়ন, সাংগঠনিক সম্পাদক জাকির হোসেন, প্রচার সম্পাদক গোলাম মোর্শেদ, দপ্তর সম্পাদক বাপ্পি, পেনাং প্রাদেশিক কমিটির সহ সভাপতি মোঃ বাসির। শ্রমিক লীগের এ উদ্দ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন সেদেশে বসবাসরত প্রবাসীরা। তারা বলছেন, সচেতন প্রবাসীদের উচিৎ ম্যমিক লীগের এ মহতী উদ্দ্যোগকে একাত্বতা পোশন করে প্রতারিত অবৈধ প্রবাসীদের সচেতনতার মাধ্যমে যাতে করে দালাল  ছাড়া সহজে দেশে ফিরতে পারেন সকলকে এগিয়ে আহবান জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে শ্রমিক লেিগর সভাপতি নাজমুল ইসলাম বাবুল বলেন, বিগত দিনে দালাল ও প্রতারকরা সাধারন কর্মীদের শোষন করেছে। পাসপোর্ট টাকা পয়সা নিয়ে প্রতারিত শ্রকিদের পারমিট করে নাই। ওই সকল অবৈধ শ্রমিকরা দেশে ফিরে যাওয়ার জন্য মালয়েশিয়া সরকার বিফোরজি কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। আর এ কর্মসূচি ১ আগষ্ট থেকে শুরু হয়েছে। চলবে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত। নাজমুল ইসলাম বাবুল বলেন,  ‘অভিবাসন বুথে আবেদন করার আগে তাদেরকে দূতাবাস থেকে একটি সম্পূর্ণ শনাক্তকরণ কার্ড সংগ্রহ করতে হবে।’ যাদের পাসপোর্ট আছে এবং পাসপোর্টের মেয়াদ আছে এমন কারো ট্রাভেল পাস লাগবেনা। যাদেও পাসপোর্ট নেই তারা দুতাবাস থেকে ট্রাভেল পাস সংগ্রহ করতে হবে।

অভিবাসন প্রধান জানিয়েছেন যে, সাত দিনের মধ্যে প্রত্যাবর্তনের অনুমতি দেয়ার আগে তাদের ফ্লাইট টিকিটসহ আবেদনের সমস্ত নথিপত্র পর্যালোচনা করা হবে। এ সময়ের মধ্যে ৭০০ রিঙ্গিত জরিমানা কনফার্ম বিমান টিকেট নিয়ে ইমিগ্রেশনে স্ব-শরিরে উপস্থিত হয়ে জমা দিলেই স্পেশাল পাস ইস্যু করবে ইমিগ্রেশন কর্তপক্ষ।

সাধারন সম্পাদক শাহ আলম হাওলাদার বলেন, শুরু হওয়া বিফোরজি কর্মসূচি আমাদের দূতাবাসের কর্মকর্তারা পর্যবেক্ষন করছেন। যাতে করে দালালরা কোনো সুযোগনা পায়। এ কর্মসূচির সুবিধাপ্রাপ্তিদের জন্য হাইকমিশন ব্যাপক প্রচারণার মাধ্যমে মালয়েশিয়ায় বসবাসরত বাংলাদেশি নাগরিকদের সচেতনতা বৃদ্ধির কার্যক্রম চালিয়েছে। যাদের যে তথ্য এবং ডকুমেন্ট প্রয়োজন তা দ্রুত সরবরাহ করার যাবতীয় প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। হাইকমিশনের পাশাপাশি যেহেতু জাতীয় শ্রমিক লীগ শ্রমিক বান্ধব সেহেতু অমরাও কিছু উদ্দ্যোগ গ্রহণ করেছি। শ্রমিকলীগের নেতৃবৃন্দ গোটা মালয়েশিয়ায় প্রচার প্রচারনা শুরু করেছে। যাতে করে প্রতারিত শ্রমিকরা আর প্রতারিত না হয়।



এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি